মাসুমুর রহমান খলিলী
সন্ধ্যার আলো-অন্ধকারের এডেন যেন অন্য রকম আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল প্রকৃতিতে। এক প্রাচীন সভ্যতার জনপদকে আধুনিকতার ছোঁয়া কিভাবে অপূর্ব করে তুলতে পারে, শহরের প্রবেশস্থলের বেশ খানিকটা দূর থেকেই তা মোহিত করছিল সবাইকে। শহরের বুক চিরে আমাদের গন্তব্যস্থল শেরাটন হোটেলে যাওয়ার আগেই স্থির-নিশ্চল জলরাশির লেক অদ্ভুত এক নৈসর্গ তৈরি করে সানায় ইয়েমেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জরুরি কাজ থাকায় হোস্ট মুজিব ভাইকে এডেন ভ্রমণে সাথে পাইনি। এ অভাব দূর করতে ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত বাংলাদেশী আলমগীরকে সঙ্গী করে দেন তিনি। এক দিনের সফরে এডেনের সৌন্দর্য পরখ করা অসম্ভব এক ব্যাপার। তবু এডেনের শহর, বন্দর আর সৈকতের অপরূপ সৌন্দর্য আট ঘণ্টার আধা পাহাড়ি রাস্তা ঠেলে আসার কষ্টটুকু ভুলিয়ে দেয় আমাদের। শেরাটনে রাত কাটিয়ে এডেনের সৈকতে পৌঁছতে আমাদের বেশখানিকটা দেরিই হয়ে যায়। সকালের মিষ্টি র