WHAT'S NEW?
Loading...
Showing posts with label ভ্রমণ. Show all posts
Showing posts with label ভ্রমণ. Show all posts

মাসুমুর রহমান খলিলী


সন্ধ্যার আলো-অন্ধকারের এডেন যেন অন্য রকম আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল প্রকৃতিতে। এক প্রাচীন সভ্যতার জনপদকে আধুনিকতার ছোঁয়া কিভাবে অপূর্ব করে তুলতে পারে, শহরের প্রবেশস্থলের বেশ খানিকটা দূর থেকেই তা মোহিত করছিল সবাইকে। শহরের বুক চিরে আমাদের গন্তব্যস্থল শেরাটন হোটেলে যাওয়ার আগেই স্থির-নিশ্চল জলরাশির লেক অদ্ভুত এক নৈসর্গ তৈরি করে সানায় ইয়েমেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জরুরি কাজ থাকায় হোস্ট মুজিব ভাইকে এডেন ভ্রমণে সাথে পাইনি। এ অভাব দূর করতে ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত বাংলাদেশী আলমগীরকে সঙ্গী করে দেন তিনি। এক দিনের সফরে এডেনের সৌন্দর্য পরখ করা অসম্ভব এক ব্যাপার। তবু এডেনের শহর, বন্দর আর সৈকতের অপরূপ সৌন্দর্য আট ঘণ্টার আধা পাহাড়ি রাস্তা ঠেলে আসার কষ্টটুকু ভুলিয়ে দেয় আমাদের। শেরাটনে রাত কাটিয়ে এডেনের সৈকতে পৌঁছতে আমাদের বেশখানিকটা দেরিই হয়ে যায়। সকালের মিষ্টি র

 



মিয়া মুহাম্মদ আইয়ুব


মেকং নদীর প্রবাহ আর তার দুই তীরের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মনে হয়েছিল আমি যেন আমাদের পদ্মা বা মেঘনা নদীর তীরেই দাঁড়িয়ে আছি। নদীর ওপারের গ্রামগুলোতে সারি সারি তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে যেন কালের সাক্ষী হয়ে সব কিছু দেখছে। ভাটার টানে ধীরলয়ে ছুটে চলেছে দেশী নৌকা। জেলেরা মাছ ধরছে। মেকংয়ের অপরূপ দৃশ্য এবং শান্ত-সৌম্য নীরবতা আমাকে ক্ষণিকের জন্য হলেও যেন বাংলাদেশের নদ-নদী আর পাখাপাখালির স্বপ্নডানায় মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।



বলছিলাম, কম্বোডিয়ার সেই বিখ্যাত মেকং নদীর কথা। জাপানভিত্তিক এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এপিও) আমন্ত্রণে ‘কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ বিষয়ে এক কর্মশালায় যোগ দেয়ার সুযোগ পাই। বাংলাদেশের শিল্পনীতিতে কোয়


মিয়া মুহাম্মদ আইয়ুব


 


আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম লিভারপুল বন্দর থেকে। মধ্যরাতে জাহাজে উঠতে হয়েছিল বলে বন্দরের চেহারাটা ঠিকমতো দেখার অবকাশ ছিল না। আমরা ছিলাম ১২টি দেশের শিক্ষার্থী। সাথে ছিলেন ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন শিক্ষক ও তাদের একজনের স্ত্রী। ভদ্রমহিলার স্বামী ছিলেন ধার্মিক ক্রিশ্চিয়ান। তিনি এর আগে একটি চার্চের মিনিস্টার ছিলেন। স্বামী-স্ত্রী দু’জনই ছিলেন বেশ অমায়িক ও বিনয়ী। তাদের কাছেই জানলাম জাহাজে আইরিশ সাগর পাড়ি দিতে হবে। চওড়া প্রায় ২০০ কিলোমিটার। জাহাজে সমুদ্রভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার এটাই প্রথম। তাই বেশ ঔৎসুক্য অনুভব করছিলাম।



ব্রিটিশ কারিগরি সহযোগিতা কর্মসূচির আওতায় ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপ


সৌমিত্র দেব


 বন্ধুবর মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট জয় করেছেন। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে এখন পতপত করে উড়ছে বাংলাদেশের পতাকা। তার আগে আরো তিনজন ভারতীয় বাঙালি হিমালয়ের চূড়ায় আরোহণ করলেও বাংলাদেশীদের মধ্যে তিনিই প্রথম। এমনকি সমগ্র পৃথিবীতে প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব লাভ করেছেন। মুসার সাথে আমার কিছু কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। বিখ্যাত পর্যটক আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল, মুসা ইব্রাহীম ও আমি মিলে একটি ভ্রমণ কাহিনী সঙ্কলন প্রকাশ করেছিলাম। নাম ছিল ‘ভ্রমণের খেরোখাতা’। তা ছাড়া বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর কোর্স করতে গিয়ে মুসাকে আমার সহপাঠী হিসেবে পেয়েছিলাম। সেই মুসার বিজয়ে আমি আনন্দিত। তবে তার থেকে অন্তত পাঁচ বছর আগে আমি এভারেস্ট ছুঁয়ে এসেছিলাম। এখানে সেই গল্পই বলছি।

 


‘আমাকে দাফন করো এই গ্রন্থাগারের প্রবেশদ্বারে, যেন ইসলামি বিজ্ঞানের গবেষকদের পদচিহ্ন আঁকা থাকে আমার সমাধির পাশে’। এ দু’টি বাক্য কোনো কবির কবিতার অংশ নয়। এক জ্ঞানসাধকের অছিয়ত বা শেষ ইচ্ছা। এই অছিয়ত পূরণ করে গ্রন্থাগারের প্রবেশদ্বারেই সমাহিত করা হয়েছে জ্ঞানতাপসকে। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিখ্যাত মনীষা, বিজ্ঞান, দর্শন ও

মোহাম্মদ আবদুল মান্নান


রাত শেষ হয় কাহিনী তোমার অশেষ শাহেরজাদী।...
তেমনি এক নতুন কাহিনীর সাথে পরিচিত হওয়ার আবেগ-উত্তেজনার মধ্যে ঊনিশ শ’ সাতানব্বইয়ের সাত জুন শনিবার তাবুকে আমার ভোর হলো। আজ আল-বেদ যাবো। এ সফরে সরদার ভাই ছাড়াও সাথী হচ্ছেন মুঈন ভাই ও মওলানা জাকির।

 



বুলবুল সরওয়ার



পৃথিবীর তিনটি বাজারের চমৎকার সাদৃশ্য দেখে আমি বরাবরই অভিভূত কায়রোর খানে-খলিলি, দিল্লির চাঁদনি চক ও ইস্তাম্বুলের গ্র্যান্ড বাজার। সব প্রাচীন শহরেই এ ধরনের বাজার আছে কিন্তু আয়তনে, বৈচিত্র্যে এবং বৈশ্বিক চারিত্র্যে এরা তিন সহোদরা। বহুবার আগুনে পুড়েও এই গ্র্যান্ড বাজা


সিরাজুর রহমান



লোকটা প্রায় আজীবন নিরক্ষর ছিলেন, শেষ বয়সে কোনো রকমে নাম সই করতে শিখেছিলেন। কিন্তু তার স্বপ্ন আর দূরদৃষ্টির কথা সবার মুখে মুখে, তার স্মৃতি আবুধাবির সব নর-নারীর হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে আরো বহু যুগ। তিনি ছিলেন শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান।



আবুধাবিতে আমি প্রথম যাই ১৯৮১ সালে। উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকদের সম্বন্ধে একটা


বুলবুল সরওয়ার


সিনাইয়ের পথ ধরে বাস এগিয়ে গেল ওয়াদি ফিরান পর্যন্ত। গালফ অব সুয়েজের ঢেউ ক্রমে জোরদার হচ্ছে। এগিয়ে আসছে লোহিত সাগরের দর্পিত গর্জন। ‘হে অনন্তের গান’ আমি নিজেকে বললাম, ‘তোমার আশ্চর্য রূপের শেষ নেই। অনিঃশেষ তোমার আকর্ষণ। অনিবার্য তোমার মিলনাকাক্সা। কী তুচ্ছ আমরা তোমার বিশাল ব্যাপ্তির কাছে

নাজমুল হোসেন


অপরূপ সৌন্দর্যের দ্বীপ ইন্দোনেশিয়ার বালি। পর্যটন শহর বালি দ্বীপের মানুষ পর্যটকদের স্বাগত জানাতে আন্তরিক। পর্যটন শিল্পকে প্রাধান্য দিয়েই শহরটি গড়ে উঠেছে। এই দ্বীপের যতটুকু দেখেছি, তাতেই অভিভূত হয়েছি। দ্বীপটিকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাই অত্যন্ত আন্তরিক। জনগণ রাস্তায় পড়ে থাকা গাছের পাতা পর্যন্ত কুড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলেন। পর্যটকদের অগ্রাধিকার এখানে সব কিছুতে। বস

তাসকিন ফাহমিনা


স্লভেনিয়ার যুব সংগঠন ‘ইয়ুথ নেটওয়ার্ক মামা’র আমন্ত্রনে দেশটিতে সমবেত হয়েছিলো রাজনৈতিক ও মানবাধিকার কর্মীরা । গত ২০ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত এই সফরে বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিনল্যান্ড থেকে  সংগঠনটি পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে আমন্ত্রন জানিয়েছিল। সফরের মুল উদ্দেশ্য ছিল স্লভেনিয়ার তরুণদের জন্য কি কি কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে তা জানানো। একই সাথে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু


বারবারা আয়ারল্যান্ড এখন ‘দি নিউইয়র্ক টাইমস’-এর ট্রাভেল অ্যান্ড ফ্যাশন পেজের এডিটর। নিউইয়র্কে আসার আগেই ওকে জানিয়েছিলাম, আমি আসছি। ১৩ জুন পৌঁছেই বারবারাকে ফোন করে বলেছি সাক্ষাতের দিনক্ষণ ঠিক করার জন্য। সে উচ্ছ্বসিত, দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। বলল, ‘খুব ভালো সময়ে এসেছ তুমি। টাইমস স্কোয়ারের অফিস থেকে নতুন হেডকোয়ার্টারে শিফট হচ্ছে সব কিছু