WHAT'S NEW?
Loading...
Showing posts with label স্বাস্থতথ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থতথ্য. Show all posts

 


৩০ বছর পর্যন্ত ঠিক আছে৷ কিন্তু তারপর প্রতি দশকে ১০ শতাংশ করে কার্যকারিতা কমতে শুরু করে কিডনির৷ তার উপর ছোট থেকে যে সমস্ত বদভ্যেস চলেছে তাকে সেভাবেই চালালে সমস্যা আরও বাড়ে৷ কাজেই বয়স যাই হোক না কেন, আজ থেকেই সতর্ক হোন৷ কী কী খেলে, কী পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে তা এখনই বুঝে নিন৷


কোথায় রাশ টানবেন


চিনি খাওয়া কমান৷ কারণ ক্যালোরি যোগানো ছাড়া চিনির আর কোনও গুণপনা নেই৷ অতিরিক্ত খেলে বরং শরীরে ইউরিক অ্যাসিড তৈরির হার বেড়ে যেতে পারে৷ তার হাত ধরে বাড়তে পারে কিডনি ও হৃদরোগের আশঙ্কা৷ সফট ড্রিঙ্কেও রাশ টানুন৷ কারণ যাঁরা দিনে দুটোর বেশি সফট ড্রিঙ্ক খান তাঁদের প্রোটিন-ইউরিয়া নামে ইউরিনের সঙ্গে প্রোটিন বেরোনোর সমস্যা হতে পারে৷ কিডনি খারাপ হওয়ার বেশ বড়ো

 


আজকের দিনে ডায়বেটিস অত্যন্ত সাধারন রোগ। এখন ঘরে ঘরে ডায়বেটিস রোগী । রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে গেলে ডায়বেটিস রোগের শিকার হই আমরা। ইনসুলিন হরমোনের উৎপাদন রক্তে কমে গেলে ডায়বেটিস জাঁকিয়ে বসে শরীরে। টাইপ ১ ডায়বেটিস খুব কমবয়সে হতে পারে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর তা কিছুটা নির্ভর করে। অন্যদিকে টাইপ ২ ডায়বেটিস সাধারণত চল্লিশের কোঠা পেরনোর পর হয়ে থাকে। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের প্রায় ৪০ কোটি মানুষ ডায়বেটিস রোগে আক্রান্ত। আর এর মধ্যে ৯০ শতাংশই আক্রান্ত টাইপ ২-তে। আসুন আমরা ডায়বেটিসের নানা পূর্ব লক্ষণগুলো জেনে নেই ।


ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া : যদি দেখেন দিনের মধ্যে বারেবারে আপনাকে বাথরুমে যেতে হচ্ছে প্রস্রাবের জন্য তাহলে সাবধান হ

 


স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই যে তালিকাটি মাথায় আসে, তাতে অবশ্যই থাকে ডিম, মাংস, দুধ। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষা সেই 'মিথ'-কে একেবারেই ভেঙে দিচ্ছে। ডিম, দুধ, মাংস বেশি খাওয়া নাকি, ধূমপানের মতোই ক্ষতিকর।


ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফর্নিয়া-র একদল গবেষকের সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, বেশি পরিমাণে মাংস, ডিম, চিজের মতো প্রাণীজ প্রোটিন অচিরেই ডেকে আনতে বিপদ।


এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর এই ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন বেশি পরিমাণে খাওয়া। স্বভাবিক ভাবেই রিপোর্টটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক।


কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?


গবেষকদের সতর্কবার্

 


রক্ষকই ভক্ষক, নাকি সর্ষের মধ্যেই ভূত? বিকল হৃদযন্ত্রের চিকিত্‍সায় ব্যবহৃত শতাব্দী প্রাচীন প্রাণদায়ী ওষুধই ঘটাতে পারে অকালমৃত্যু। এমন চমকে ওঠার মতো তথ্য জানা গিয়েছে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষায়।


হার্টের সমস্যায় ডাইজক্সিন-এর ব্যবহার নতুন নয়। বস্তুত এই জীবনদায়ী ওষুধের উপর গত ১০০ বছরের উপর নির্ভর করেছেন চিকিত্‍সকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় এই ডাইজক্সিনকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সংশয়। মনে করা হচ্ছে, atrial fibrillation অথবা congestive heart failure-এর মতো হৃদযন্ত্রের সমস্যায় এই ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ ডেকে আনতে পারে হঠাত্‍ মৃত্যু।


১৯৯৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের পর্যালোচনার উপর ভিত্তি করে ফ্র্যাঙ্কফুর্টের জে ডব্লিউ গ্যেটে বিশ্ববিদ


হার্ট অ্যাটাক নিয়ে মিথের অন্ত নেই৷ রোগের রমরমার সেও এক বড় কারণ


'ফিজিকালি ফিট মানুষদের হার্ট অ্যাটাক হয় না', এই ভুল ধারণার কবলে পড়ে কত যে মানুষের প্রাণ যায়, তার ইয়ত্তা নেই৷ কারণ অধিকাংশ মানুষ ভাবেন হূদরোগ হয় মোটা মানুষদের৷ কিন্তু প্রচুর ব্যায়াম-ট্যায়াম করে ছিপছিপে ও টগবগে থাকার পরও যে সে হানা দিতে পারে তা ভাবতেই পারেন না অনেকে৷ কিন্তু আসল কথা হল, রোগের রিস্ক ফ্যাক্টর যদি থাকে, যেমন, রোগগ্রস্ত জিন, ডায়াবিটিস, হাই কোলেস্টেরল-ট্রাইগ্লিসারাইড, হাই প্রেশার, ধূমপানের অভ্যেস ইত্যাদি৷ ইস্কিমিয়া ও তার পরিণতিতে হার্ট অ্যাটাক হতেই পারে, সে আপনি চূড়ান্ত ফিট থাকুন কি আনফিট৷


নিয়ম মানলে ও ফ

 


আপনি কি কলা খেতে ভালবাসেন? যদি বাসেন তবে এই লেখা পড়ার পর আপনার ভালবাসা বাড়বে বই কমবে না। আর যদি না বাসেন, তবে ভালবাসতে শুরু করবেন কিনা জানি না, তবে হ্যাঁ, কলার প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য। মুহূর্তের মধ্যে এনার্জি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। কিন্তি তা ছাড়াও যে প্রচুর কাজ করে কলা। জেনে নিন কলার বহুগুণ-



অবসাদ
অবসাদে ভোগা কিছু মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে কলা খেলে ভাল বোধ করেন তারা। কলার মধ্যে থাকা ট্রিপটোফ্যান প্রোটিন মানুষের শরীরে পরিণত করে সিরোটোনিন হরমোনে। সিরোটোনিন হরমোন অফ হ্যাপিনেস নামে পরিচিত। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়লে মুড ভাল হয়ে রিল্যাক্স বোধ করে মানুষ। মুড অফ একটি অতি পরিচিত প্রি-মেন্সট্রয়াল সিনড্রোম। ক

 


ক্যানসার। নামটা শুনলেই গা শিউরে ওঠে। মনে আতঙ্ক। দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে মৃত্যু। বেঁচে ফেরার আশা ক্ষীণ। সমীক্ষা বলছে, বিশ্বে যত মানুষের ক্যানসারে মৃত্যু হয়, তাঁদের একটা বৃহত্‍ অংশই কোলরেক্টাল ক্যানসার (কোলন ও মলদ্বারে ক্যানসার) আক্রান্ত হন।


ক্যানসারের কারণের নিরিখে কোলরেক্টাল ক্যানসারের স্থান চতুর্থ। বেশি নয়

 


প্রায়শই জ্বর বা কোমর ব্যথা হলে 'ও তেমন কিছু না' বলে অবহেলা করবেন না৷ এই সাধারণ উপসর্গগুলিই কিন্তু কিডনি ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে৷ নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা এর আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে৷ এমনটাই মত চিকিত্‍সকদের।


উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? কিংবা ওজনটা দিন দিন বেড়েই চলেছে? বা আপনি কি চেইন স্মোকার? কোমরে ইদানীং ব্

 


এক : শ্বাস বের করে আনুন তলপেট থেকে কমপক্ষে দিনে পাঁচ মিনিট এ কাজটি করুন। এর নাম ডায়াফ্র্যাগমেটিক ব্রেথিং। এটি আপনার ডায়াফ্রামকে শক্তিশালী করে তোলে। ডায়াফ্রাম হচ্ছে বুক ও উদরের মাঝখানের ঝিল্লির পর্দা, মধ্যচ্ছদা। এই ডায়াফ্রাম শক্তিশালী হলে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার কাজটি সহজ হয়।


দুই : আপেল খান একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা


দৃশ্যমান কোনো কারণ ছাড়াই আপনার ওজন বাড়ছে। কিছুতেই ওজন কমাতে পারছেন না। হতে পারে আপনি যে ওষুধ সেবন করছেন, সে ওষুধই এর জন্য দায়ী।



ডিপ্রেশন : কোনো কোনো গবেষকের বিশ্বাস, এসএসআরআই ধরনের ওষুধ যেমন পারঅক্সিটিন ও সাইটালোপ্রাম রোগীর ক্ষুধা বাড়িয়ে তোলে। কিন্তু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ, যেমন বুপ্রোপিও

 


লাল গোশত একটি প্রধান খাবার, কিন্তু লাল গোশত খাওয়ার উপায়গুলো আমাদের জন্য হন্তারক হয়ে দাঁড়াতে পারে। ২৮ বছর ধরে এক লাখ ২১ হাজার বয়স্ক মানুষের পছন্দের খাবারের ওপর নজর রেখে হার্ভার্ড গবেষকেরা দেখেছেন, যেসব লোক প্রতিদিন গড়ে ৮৫ গ্রাম করে লাল গোশত খেয়েছেন তাদের মৃত্যুঝুঁকি নিরামিষভোজীদের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি তারা বেশি মারা যান হৃদরোগে ও ক্যান্সারে।



মুনীর তৌসিফ



হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল ঢেঁকুর দমনে সহায়তা করার জন্য
আমাদের দু’টি উপায় জানিয়েছে।



১. গিলে খাওয়া বায়ুর পরিমাণ কমিয়ে দিন
ধূমপ

অটিজমের সাথে ভ্যাকসিনের যোগসূত্রতার একটা সম্ভাবনার কথা প্রথম প্রকাশ পায় ১৯৯৮ সালে। তখন এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয় চিকিৎসাবিষয়ক সুখ্যাত ও সুপরিচিত জার্নাল ‘লেনসেট’-এ।


লেনসেটে প্রকাশিত লেখায় বলা হয়, লক্ষ করা গেছে ১৫ জন শিশু বিকাশগত সমস্যায় ভুগছে, আর এদের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছিল এমএমআর (মিমেলস, মামস ও রুবেলা) ভ্যাকসিন। এদের

 


চোখ আপনার আত্মার জানালা। আপনার চোখের চিত্রটায় কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায় কি না, তা লক্ষ রাখুন। যদি কোনো পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়, তবে সাথে সাথে সাধারণ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ, চোখের মধ্যে দৃশ্যমান হয় আপনার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি।


 


চোখের পাতায় কোমল হলুদ দাগ
<span sty

 


হ্যাঁ, তেলাপোকা বাঁচাতে পারে আপনার জীবন। যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা দল এ কথা জানায়। তাদের মতে পঙ্গপাল ও তেলাপোকার মগজের শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা রয়েছে। এ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে মানুষের কোষের কোনো ক্ষতি না করেই ৯০ শতাংশ অনুপ্রবেশকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা যায়।


এসব ব্যাকটেরিয়া মা

 


সর্বসাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা গেছে , কিছু গ্রহণ ও কিছু বর্জন আপনাকে দিতে পারে অধিকতর সুস্থ জীবন। সে অনুযায়ী আমরা কী গ্রহণ করব আর কী বর্জন করব, নিচে তা-ই উল্লেখ করা হলো।


 


বর্জন করেন ভিটামিন সেবন
<span style="font-size: 14pt;"

 


এলাচ সুগন্ধিময় ঔষধি। মূল্যের দিক দিয়ে বিশ্বে এর অবস্থান তিন। তরকারির স্বাদ বাড়াতে কিংবা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চমৎকার মসলা এ বীজ। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’। প্রচুর প্রোটিন, স্বল্প মাত্রায় ফ্যাট, ভোলাটাইল অয়েল প্রভৃতি। আরো আছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস।



<span style="font-

কোন ধরনের খাবারে সহজেই শক্তি বৃদ্ধি হয় তা জানা থাকলে কার্যক্ষমতা নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। দেখা যাক কোন খাবারে কেমন গুণাগুণ। বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপকারিতা নিয়ে লিখেছেন সৈকত আহমেদ


ডিমের কুসুম শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরে শক্তি সরবরাহে সাহায্য করে। ডিমের মধ্যে বিদ্যম

 


 


দিনে কমপক্ষে ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলে আপনি নিশ্চিত করতে পারেন সুস্থ দেহ সুস্থ মন। আর একেই বলে ‘ওয়াটার হেলথ’। পানি আপনার শরীর থেকে যাবতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ বের করে দেবে। স্বাভাবিক রাখবে শ্বাস-প্রশ্বাস। সেই প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে মহিলারা প